1:04 am, Thursday, 30 July 2026

রংপুরে কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা

  • Reporter Name
  • Update Time : 04:08:49 pm, Saturday, 25 July 2026
  • 69 Time View

আতিকুর রহমান সুজন।। রংপুরে  কাঁচা মরিচের কেজি ৩শ টাকা সহ সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমসহ মাছ-মাংসের দাম। আজ ২৪ জুলাই শুক্রবার নগরীর সিটি বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই চিত্র উঠে আসে।  সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় সবজি ক্ষেত তলিয়ে গাছ মরে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে কাঁচামরিচসহ অধিকাংশ সবজির  দাম বেড়েছে। এ অবস্থা চললে দাম আরও বাড়তে পারে।

খুচড়া বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজের দামও বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা থেকে হয়েছে ৪৫-৫০। কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২০-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫, শিল আলু ৪৫-৫০ এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারে গত সপ্তাহের মতোই জিরাশাইল ৫০-৬০, মিনিকেট , নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি, স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর ২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর ২৯- ৫৫-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০, মাঝারি ১০০-১১০, মুগডাল ১৫০-১৬০, বুটের ডাল ১১০-১২০, খোলা চিনি ১০৫-১১০, ছোলাবুট ৯০-১০০, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০, খোলা আটা ৪০-৪৫ এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বাজারে টমেটো ২৬০-২৮০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৫০-১৬০, গাজর ১৬০-১৮০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৫০-১৬০, কাঁকরোল ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬০-৭০, ঝিংগা ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, চালকুমড়া প্রতিপিস ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫, দুধকুষি ৩০-৩৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০, সজনে ১২০-১৪০, শসা ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০-১০০, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭০-৮০, গোল বেগুন ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০, পটল ২৫-৩০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৫০-৬০, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০, করলা ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০-৯০, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, কচুরলতি ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০, কচুরমুখী ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, প্রতিকেজি ধনেপাতা অপরিবর্তিত ২০০-২৫০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫-৫০, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, এছাড়া দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ২২০-২৪০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৬০-১৮০, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৯০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৯০-৩০০, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ এবং দেশি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৫৫০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৪২ টাকা। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০, মৃগেল ২২০-২৫০, কারপু ২৫০-২৬০, পাঙ্গাশ ১৫০-২৫০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০, বাটা ১৮০-২৪০, শিং ৩০০-৪০০, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

রংপুরে কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা

Update Time : 04:08:49 pm, Saturday, 25 July 2026

আতিকুর রহমান সুজন।। রংপুরে  কাঁচা মরিচের কেজি ৩শ টাকা সহ সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমসহ মাছ-মাংসের দাম। আজ ২৪ জুলাই শুক্রবার নগরীর সিটি বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই চিত্র উঠে আসে।  সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় সবজি ক্ষেত তলিয়ে গাছ মরে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে কাঁচামরিচসহ অধিকাংশ সবজির  দাম বেড়েছে। এ অবস্থা চললে দাম আরও বাড়তে পারে।

খুচড়া বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজের দামও বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা থেকে হয়েছে ৪৫-৫০। কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২০-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫, শিল আলু ৪৫-৫০ এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারে গত সপ্তাহের মতোই জিরাশাইল ৫০-৬০, মিনিকেট , নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি, স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর ২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর ২৯- ৫৫-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০, মাঝারি ১০০-১১০, মুগডাল ১৫০-১৬০, বুটের ডাল ১১০-১২০, খোলা চিনি ১০৫-১১০, ছোলাবুট ৯০-১০০, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০, খোলা আটা ৪০-৪৫ এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বাজারে টমেটো ২৬০-২৮০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৫০-১৬০, গাজর ১৬০-১৮০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৫০-১৬০, কাঁকরোল ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬০-৭০, ঝিংগা ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, চালকুমড়া প্রতিপিস ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫, দুধকুষি ৩০-৩৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০, সজনে ১২০-১৪০, শসা ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০-১০০, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭০-৮০, গোল বেগুন ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০, পটল ২৫-৩০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৫০-৬০, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০, করলা ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০-৯০, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, কচুরলতি ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০, কচুরমুখী ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, প্রতিকেজি ধনেপাতা অপরিবর্তিত ২০০-২৫০ টাকা, রকমভেদে শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫-৫০, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, এছাড়া দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ২২০-২৪০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৬০-১৮০, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৯০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৯০-৩০০, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ এবং দেশি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৫৫০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৪২ টাকা। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০, মৃগেল ২২০-২৫০, কারপু ২৫০-২৬০, পাঙ্গাশ ১৫০-২৫০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০, বাটা ১৮০-২৪০, শিং ৩০০-৪০০, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।